এই চোখের কাচগুলো ভেঙ্গে গেছে সেই কবে ! নিদ্রাহীন রাত্রিতে ভর করে হয়েছি আমি দিবালোকের আলস্য বালিশ হারালো তার রঙ আমার অযাচিত দুঃস্বপ্নের নিত্য দুপুরগুলোতে কত রহস্যময় আঁধার পাড়ি দিয়ে হয়েছি আমি সভ্য সমাজের নিষিদ্ধ গোলাপ এই অকর্মণ্য দেহে কর্মযজ্ঞে হৃদয় গড়ে চলছে হিসেব নিকেশের রঙহীন দালান ।
শত রাত্রির কান্নাকে আমি বুক পকেটে বদ্ধ করে দম রেখেছি গুঁজে একদিন মরে যাবো বলে, প্রতিজ্ঞার পাকাপোক্ত স্বপ্ন এঁকেছি আমায় নিয়ে এখন আর দেখে না কেউ স্বপ্ন, আমি হয়েছি আজ বড্ড অলস প্রতিরাতে আসর বসাই নিজেকে স্বপ্নের কারিগর ভেবে, সেখানে থাকে অচেনা সবাই রাত্রির শেষ অব্দি চোখ দু'টো ক্ষমা প্রার্থনা করে হৃদয়ের কাছে ওদের স্নিগ্ধ জল শুকিয়ে গেছে ভেঙ্গে যাওয়া স্বপ্নময় পৃথিবীকে রঙিন করতে করতে...
দিনের সূর্য হয় না দেখা, আলোতে বড্ড ভয়, পুড়ে যাবে না তো বুনে যাওয়া ভাঙ্গা ঘর ! পাগল আমি, পুড়ে তো গেছে সে কবে, অথচ এখনো করছি তার আরাধনার পুনরাবৃত্তি ছাইগুলোকে আপন বক্ষে ধারণ করে সূর্য থেকে মুখ লুকিয়ে অপেক্ষা করি প্রিয় রাত্রির রাত যে নামে সময়ের অজস্র ঘূর্ণিপাকে, তাই রটেছে পাড়ায় আমার অভীপ্সু আলস্যের বৃত্তান্ত।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।